শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী'র ইন্তেকালে ইশা ছাত্র আন্দোলনের শোক প্রকাশ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর, হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক মোহতামিম, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়্যা বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান, হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. এর খলীফা শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি সাহেবের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন।

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং শুক্রবার এক যুক্ত শোক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এম. হাছিবুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল করীম আকরাম বলেন, আল্লামা শাহ আহমাদ শফী রহ. ছিলেন মুসলিম উম্মাহর অমূল্য সম্পদ। বাংলাদেশসহ ভারত উপমহাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ। তিনি একাধারে দরসে বুখারিতে শাইখুল হাদীসের ভূমিকা পালন করেছেন অপরদিকে নাস্তিক মুরতাদ বিরোধি আন্দোলনে সরব নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ একজন অভিভাবক কে হারিয়েছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। আল্লাহ তা'আলা দ্বীনের এই খাদেম কে কবুল করুন।
জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।

বার্তা প্রেরক
কেএম শরীয়াতুল্লাহ
প্রচার ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন
______________________________
আমাদেরকে সা‌থে পে‌তে...
website: www.iscabd.org
online library : www.iscalibrary.com
e-mail : iscabd91gmail.com
fb page : www.facebook.com/iscabd91/
Islami Shasantantra Chhatra Andolan
twitter : www.twitter.com/iscabd
instagram : https://instagram.com/iscabd18
YouTube-(ISCA BD) : www.youtube.com/iscabd1

image

বিতর্ক এড়িয়ে আদর্শ জাতি গঠনে ওলামায়ে কেরামকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

আজ ১৬ ই সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং রোজ বুধবার সকাল ১০ টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনাস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমদ এর সঞ্চালনায় ও আক্তারুজ্জামান মাহদীর সভাপতিত্বে নবীন আলেম সংবর্ধনা'২০ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিতি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন ওলামায়ে কেরামকে বিতর্ক এড়িয়ে আদর্শ জাতি গঠনের প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে, জাতি আজ বিভক্ত ও দিশেহারা,এই দিশেহারা জাতিকে সঠিক পথ দেখাতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান উলামায়ে কেরামকে রাহবারের এর ভূমিকা পালন করতে হবে।চলমান বিতর্কে কিছু ব্যক্তি ওলামায়ে কেরামের প্রকাশ্য মানহানি করার চেষ্টা করছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কারণে ওলামায়ে কেরামের প্রতি এ জাতির বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে।

তাই ওলামায়ে কেরামের উচিৎ হবে এ ধরনের বিতর্কে না জড়িয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে আদর্শ, দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে ওলামায়ে কেরামকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিতি ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল নূরুল করীম আকরাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিছু ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় স্কুল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান। কেন্দ্রীয় সদস্য জামাল উদ্দিন খালিদ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির। ইসলামী যুব আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ নুর-উন-নবী ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য আলহাজ্ব এমদাদুল ফেরদৌস। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের সহ-সভাপতি শেখ মাহবুবুর রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক, ইউসুফ পিয়াস। প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম ইমরান। অর্থ সম্পাদক, মাইনুল ইসলাম। কওমি মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল কবির গিলমানসহ নগর ও থানা নেতৃবৃন্দরা।

বার্তা প্রেরক
সাইফুল ইসলাম ইমরান
প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক।
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন
ঢাকা মহানগর পূর্ব।
+8801741613333
saifulislamemran2017gmail.com

আমাদের সাথে পেতেঃ-
Address: 249/2/A Biddot Goli (With Moon CNG Station),South Jatrabari,Dhaka
Email: iscadmp422gmail.com
Facebook page:- www.facebook.com/iscadmp2008
______________________________
কেন্দ্রীয় সকল আপডেট পে‌তে...
website: www.iscabd.org
online library : www.iscalibrary.com
e-mail : iscabd91gmail.com
fb page : www.facebook.com/iscabd91/
twitter : www.twitter.com/iscabd
instagram : https://instagram.com/iscabd18
YouTube-(ISCA BD) : www.youtube.com/iscabd1

image

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২ ঈসায়ী
মৃত্যু: ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৩ ঈসায়ী

বিখ্যাত বাঙ্গালী রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম।

তিনি ছিলেন অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আপোষহীন এক কর্মবীর।

আমরা তাঁর কর্মময় জীবনের স্মৃতি রোমন্থন করছি।

image

গত ১ এপ্রিল থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৯৫ হাজার ৬২ জন প্রবাসী।
এঁদের বড় অংশকেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৫ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ১৬ দিনেই এসেছেন ৩১ হাজার প্রবাসী।
আর শেষ চার দিনেই এসেছেন প্রায় ১০ হাজার কর্মী।

ফিরে আসা প্রবাসীদের মধ্যে নারী কর্মী আছেন ৬ হাজার ৬৫৬ জন।

ফিরে আসা কর্মীদের করোনার নেগেটিভ সনদ থাকলে বাসায়, আর না থাকলে প্রাতিষ্ঠানিক সঙ্গনিরোধে (কোয়ারেন্টিন) পাঠানো হচ্ছে।

সংবাদ পত্রে প্রকাশ, প্রবাসী কর্মীদের ফিরে আসার সংখ্যাটি দিন দিন বাড়ছে। দেশে ফিরে কোনো কাজ পাচ্ছেন না তাঁরা। পাচ্ছেন না কোনো সাহায্য। অনেকে ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ফিরে আসা কর্মীদের একটি বড় অংশ অবৈধ হয়ে পড়েছিলেন।

এর মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে কারাগারে কাটিয়ে সৌদি আরব থেকে ফিরে এসেছেন ২০ হাজার ৮২৯ জন কর্মী।

কারাভোগ করে কুয়েত থেকে ৭ হাজার ৯৪১ এবং ওমান থেকে এসেছেন ৫ হাজার ৭১৩ জন।

এ ছাড়া কাজ না থাকায় মালদ্বীপ থেকে প্রায় সাড়ে আট হাজার

কাতার থেকে ৭ হাজার ৭৬৯ জন

মালয়েশিয়া থেকে প্রায় তিন হাজার জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

একইভাবে সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত, বাহরাইন, লেবানন, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, ভিয়েতনামসহ নানা দেশ থেকে ফিরে আসছেন কর্মীরা।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, আগের বছরের তুলনায় ২০১৮ ও ২০১৯ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমেছে।

আর এ বছর এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ মাস ধরে জনশক্তি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ।

এর আগে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম তিন মাসেও গড়ে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশি কর্মী গেছেন বিদেশে।
এ হিসেবে বাজার চালু থাকলে গত পাঁচ মাসে নতুন করে অন্তত তিন লাখ কর্মী বিদেশে যাওয়ার কথা ছিল।

দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীদের নিয়ে জরিপ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি ও রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
তিন সংস্থার জরিপেই প্রবাসীদের দুর্দশার চিত্র উঠে এসেছে। প্রবাসীদের দ্রুত সহযোগিতা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংস্থাগুলো।

বেসরকারি খাতে কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রা বলছে, ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীদের পাশাপাশি বিদেশে কর্মী পাঠানোর সঙ্গে জড়িত কর্মীরাও চরম বিপদে পড়েছেন। কাজ না থাকায় তাঁদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে।

১ হাজার ৪৮৬ জন বিদেশফেরত কর্মীর ওপর জরিপ করে আইওএম বলছে, জীবিকা–সংকটে আছেন দেশে ফেরা ৭০ শতাংশ প্রবাসী কর্মী। প্রায় ৭৫ শতাংশ জানান, তাঁরা আবার অভিবাসনে আগ্রহী। তাঁদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে যে দেশে কাজ করতেন, সেই দেশেই আবার অভিবাসনে ইচ্ছুক। তবে জরিপে ৫৫ শতাংশ বলেছেন, তাঁদের ওপর ঋণের বোঝা রয়েছে। গত ১২ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য জানায় আইওএম।

সৌদিফেরত মুন্সিগঞ্জের আশরাফুল ইসলাম বলেন, দুই মাসের ছুটি নিয়ে গত মার্চে দেশে আসেন। কবে যেতে পারবেন, জানেন না। জমানো টাকা শেষ। ছয়জনের পরিবার নিয়ে এখন কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তিনি।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশ বিমান বিনা খরচে প্রবাসীদের মরদেহ বহন বন্ধ করে দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনাকালীন প্রবাসীরা যখন নিঃস্ব তখন বাংলাদেশ বিমানের এই সিদ্ধান্ত অমানবিক বলছেন তারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রতিবছর গড়ে ৫শ' থেকে সাড়ে ৫শ' প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসে। এই সব মরদেহ নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠাতে খরচ পড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার দিরহাম বা প্রায় দুই লাখ টাকা। বাংলাদেশ বিমান অসহায় ও নিঃস্ব প্রবাসীদের জন্য কাজটি বিনামূল্যে করে আসছিলো। বর্তমানে সেবাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন প্রবাসীরা। তারা মনে করেন জীবিকার তাগিদে জীবন সংগ্রামে প্রবাসে পড়ে থাকা নিঃস্ব প্রবাসীদের মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব নাও হতে পারে।

কমিউনিটি নেতা কাসা উদ্দিন কাঁচা বলেন, 'অসহায় ও নিঃস্ব প্রবাসীদের মরদেহ যেন বাংলাদেশ বিমান নিয়ে যায় সেই দাবি জানাই।'

সামর্থ্যবানরা লাশ পাঠাতে সক্ষম হলেও বেশিরভাগ লাশের খরচ বহনে আমিরাতে অবস্থানরত বিত্তশালী বাংলাদেশী সামাজিক সংগঠন বা মিশনের কাছে দ্বারস্থ হতে হয় মৃত ব্যক্তির নিকটজনদের।

বাংলাদেশ সমিতি শারজা সাধারণ সম্পাদক সাহা মাকসুদ বলেন, 'মাতৃভূমিতে মরদেহ পাঠানোটা আমাদের অধিকার।'

সিনিয়র সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাই আইয়ুব আলী বাবুল বলেন, 'প্রবাসীরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের পদক্ষপে নেওয়া উচিত।'

করোনা কালীন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে ৯০ জন এবং আবুধাবি অঞ্চলে ১০২ জন প্রবাসী বাংলাদেশির লাশ আমিরাতে দাফন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট এবং বাংলাদেশ বিমানের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বক্তব্য চাইলে তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।

জীবিকার সন্ধানে ছুটে আসা প্রবাসীরা বিদেশের মাটিতে যখন লাশ হয়ে পড়ে থাকে, তখন দেশে স্বজনরা ব্যাকুল থাকেন প্রিয়জনের লাশটি ফিরে পেতে। এই কঠিন সময়ে আর্থিক সংকট প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। এই সংকট নিরসনে কে করণীয় নির্ধারণ করবেন?

Yusuf Mansur
ইউসুফ আহমাদ মানসুর
কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন

image
  • About
  • Our world is full of wonderful biodiversity. Earth's green planet is composed of all plants and animals, including humans. Due to the merciless use of the world, biodiversity has come in the danger zone today. Let us all save the biodiversity together.